ATM ও UPI দিয়ে পিএফ তোলা যাবে! মার্চের আগেই বড় ঘোষণা শ্রমমন্ত্রীর
Connect with us

দেশের খবর

ATM ও UPI দিয়ে পিএফ তোলা যাবে! মার্চের আগেই বড় ঘোষণা শ্রমমন্ত্রীর

২০২৬ সালের মার্চের আগেই এটিএম ও ইউপিআইয়ের মাধ্যমে ইপিএফ তোলার ব্যবস্থা চালু হতে পারে। এতে পিএফ গ্রাহকদের ঝক্কি অনেকটাই কমবে।

Joy Chakraborty

Published

on

পিএফ তোলার নিয়ম বদলাতে চলেছে! এটিএম ও ইউপিআই দিয়েই মিলবে টাকা—মার্চের আগেই বড় সুখবর শ্রমমন্ত্রীর।

ইপিএফ (Employees’ Provident Fund) গ্রাহকদের জন্য বড়সড় স্বস্তির বার্তা দিতে চলেছে এমপ্লয়িজ় প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO)। কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য (Mansukh Mandaviya) জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের মার্চের আগেই এমন একটি ব্যবস্থা চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে, যার মাধ্যমে সদস্যরা এটিএম (ATM)ইউপিআই (UPI) ব্যবহার করে সরাসরি তাঁদের প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তুলতে পারবেন।

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শ্রমমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে যেমন পিএফ অ্যাকাউন্ট থেকে জমা টাকার ৭৫ শতাংশ (75%) তাৎক্ষণিক তোলার সুযোগ রয়েছে, আগামী দিনে সেই প্রক্রিয়া আরও সহজ হবে। তাঁর কথায়, “ভবিষ্যতে পিএফ তোলার ক্ষেত্রে প্রায় কোনও ফর্ম্যালিটি (Formality) থাকবে না বললেই চলে।”

বর্তমানে ইপিএফ থেকে টাকা তুলতে একাধিক ফর্ম, শর্ত ও যোগ্যতার ধাপ পেরোতে হয়। এই জটিলতার কারণে বহু কর্মী সময়মতো তাঁদের সঞ্চয়ের টাকা হাতে পান না। অথচ এই অর্থ সম্পূর্ণভাবে কর্মীদের নিজস্ব সঞ্চয় (Personal Savings)। সেই বাস্তবতাকে মাথায় রেখেই সরকার পিএফ তোলার পুরো ব্যবস্থাকে প্রযুক্তিনির্ভর (Technology Driven) ও গ্রাহকবান্ধব করার পথে হাঁটছে।

এটিএম ও ইউপিআইয়ের সঙ্গে ইপিএফ অ্যাকাউন্ট যুক্ত হলে, সাধারণ ব্যাঙ্ক লেনদেনের (Banking Transaction) মতোই পিএফের টাকা তোলা সম্ভব হবে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।

Advertisement

এর আগেই, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে, ইপিএফও একাধিক বড় সংস্কারে অনুমোদন দেয়। শ্রম মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, এতদিন পিএফ তোলার জন্য ১৩টি আলাদা ক্যাটেগরি (Categories) ও বিভিন্ন উদ্দেশ্যভিত্তিক নিয়ম থাকায় বহু আবেদন বাতিল হয়ে যেত। সেই সমস্যা মেটাতে সব ক্যাটেগরি একত্রিত করে একটি সহজ ও একক কাঠামো (Single Framework) তৈরি করা হয়েছে।

নতুন নিয়মে টাকা তোলার সীমাও বাড়ানো হয়েছে। আগে কেবল কর্মীর নিজস্ব অবদান ও তার উপর সুদ তোলার অনুমতি মিলত। এখন সংশোধিত কাঠামো অনুযায়ী,
কর্মীর অবদান (Employee Contribution),
নিয়োগকর্তার অবদান (Employer Contribution)
এবং সুদ (Interest)—
সব মিলিয়ে মোট তহবিলের ৭৫ শতাংশ পর্যন্ত তোলা যাবে।

যোগ্যতার ক্ষেত্রেও বড় বদল এসেছে। আগে কোথাও দুই বছর, কোথাও সাত বছর চাকরির শর্ত ছিল। এখন সব ক্ষেত্রেই একটাই নিয়ম—ন্যূনতম ১২ মাসের চাকরি (Minimum 12 Months Service)

বেকার হয়ে পড়লে সদস্যরা সঙ্গে সঙ্গে মোট পিএফ ব্যালান্সের ৭৫ শতাংশ তুলতে পারবেন। বাকি ২৫ শতাংশ এক বছর পরে তোলার সুযোগ থাকবে। অবসর (Retirement), স্থায়ী অক্ষমতা (Permanent Disability), চাকরি হারানো, স্বেচ্ছা অবসর (VRS) বা স্থায়ীভাবে বিদেশে চলে যাওয়ার মতো পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ পিএফ তোলার অনুমতিও রয়েছে।

Advertisement

সব মিলিয়ে, এটিএম ও ইউপিআইয়ের মতো ডিজিটাল সুবিধা যুক্ত হলে ইপিএফ ব্যবস্থায় এক নতুন যুগের সূচনা হবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Dwip Narayan Chakraborty is a dedicated journalist, digital content creator, and web strategist at Bengal Xpress. With a strong background in web design, digital marketing, and news media, he crafts compelling regional and national stories that inform, engage, and inspire. Dwip brings a unique blend of technical expertise and editorial vision, ensuring Bengal Xpress remains at the forefront of digital journalism in West Bengal. When he's not writing or managing the site, he's exploring new tools to innovate online news delivery.