বাংলার খবর
ঐতিহ্যবাহী রাসমেলায় এবার জুবিন গর্গের নামে মঞ্চ, সিদ্ধান্ত কোচবিহার পুরসভার
কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী রাসমেলা এবার পড়ছে ২১৪ বছরে। প্রয়াত সংগীতশিল্পী জুবিন গর্গকে শ্রদ্ধা জানাতে মূল মঞ্চের নামকরণ হবে তাঁর নামে। পাশাপাশি পুজোর সময়ে নাগরিক পরিষেবা চালু রাখতে টানা ১২ দিন খোলা থাকবে পুরসভা।
কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী রাসমেলা (Ras Mela) এ বছর পড়ছে ২১৪ বছরে। উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এই মেলায় এবার বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে কোচবিহার পুরসভা। সদ্য প্রয়াত অসমের কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী জুবিন গর্গের (Zubeen Garg) প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাসমেলার মূল মঞ্চের নামকরণ করা হবে “জুবিন গর্গ মঞ্চ”। শুধু তাই নয়, প্রয়াত শিল্পীর পরিবারের সম্মতি মিললে কোচবিহারে বসানো হবে তাঁর মূর্তিও।
অসমের এই গায়ক মৃত্যুর পর গোটা উত্তর-পূর্ব ভারত আবেগে ভেসেছে। সেই আবেগকে সম্মান জানাতেই এবং কোচবিহারে একাধিকবার তাঁর পারফরম্যান্সের স্মৃতি ধরে রাখতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত কোচবিহার পুরসভা।
একই সঙ্গে, পুজোর সময়ে নাগরিক পরিষেবা সচল রাখতে টানা ১২ দিন খোলা থাকবে কোচবিহার পুরসভার (Municipality) অফিস। বিদ্যুৎ, পানীয় জল (Drinking Water), সাফাই, স্বাস্থ্য— সব জরুরি পরিষেবাই পাওয়া যাবে ছুটির মধ্যেও। চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ জানিয়েছেন, সরকারি ছুটি থাকলেও কর্মীদের ডিউটি করতে হবে। উপস্থিত কর্মীদের প্রতিদিন দেওয়া হবে ১৫০ টাকা ভাতা (Allowance)।
তিনি আরও জানান, “কোচবিহারের ঐতিহ্যবাহী রাসমেলায় জুবিন গর্গ একাধিকবার গান গেয়েছেন। তিনি উত্তর-পূর্ব ভারতের গর্ব। তাই রাসমেলার মঞ্চ এবার তাঁর নামে উৎসর্গ করা হবে। এছাড়াও প্রয়োজনে তাঁর একটি মূর্তি বসানোর জন্য পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।”
এদিকে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি থাকলেও পুরসভার ক্যাশ বিভাগ (Cash Section) থেকে শুরু করে বর্জ্য অপসারণ ও পানীয় জল পরিষেবা নিয়মিত চালু থাকবে। ইতিমধ্যেই শহরে দিনে দুইবার সাফাইয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। পুজোর সময়ে সেই কাজ আরও বাড়ানো হবে। পাশাপাশি বিসর্জনের জন্য ঘাট প্রস্তুত করা নিয়েও পুরসভার উদ্যোগ চলছে।
