নতুন শিক্ষাবর্ষে বড় বদল! ৭৮টি প্রাথমিক স্কুলে শুরু পঞ্চম শ্রেণির পঠনপাঠন
Connect with us

বাংলার খবর

নতুন শিক্ষাবর্ষে বড় বদল! ৭৮টি প্রাথমিক স্কুলে শুরু পঞ্চম শ্রেণির পঠনপাঠন

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ৭৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির পঠনপাঠন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরিকাঠামো ও শিক্ষক যাচাই শুরু করেছে শিক্ষা সংসদ।

Joy Chakraborty

Published

on

আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলায় নতুন করে ৭৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (Primary School) পঞ্চম শ্রেণির পঠনপাঠন চালু হতে চলেছে। এই পরিকল্পনাকে বাস্তবায়িত করতে ইতিমধ্যেই জোর তৎপরতা শুরু করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ (District Primary School Council)।

জানা গিয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলির পরিকাঠামো (Infrastructure) যথাযথ রয়েছে কি না, পর্যাপ্ত শিক্ষক সংখ্যা (Teacher Strength) আছে কি না—তা খতিয়ে দেখার কাজ শুরু হয়েছে। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান অনিমেষ দে জানান, রাজ্য প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ (West Bengal Board of Primary Education) থেকে জেলায় ৭৮টি বিদ্যালয়ের একটি তালিকা এসেছে। প্রতিটি বিদ্যালয়ের অবস্থা পর্যালোচনা করে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ (Academic Session 2026) থেকে এই বিদ্যালয়গুলিতে পঞ্চম শ্রেণির পঠনপাঠন চালু করা হবে। ভবিষ্যতে ধাপে ধাপে জেলার সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়েই পঞ্চম শ্রেণি চালুর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রতি বছর জানুয়ারি মাস থেকেই নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়।

প্রসঙ্গত, জাতীয় শিক্ষানীতি (National Education Policy – NEP) অনুসরণ করে রাজ্য শিক্ষা দপ্তর ২০৩০ সালের মধ্যে রাজ্যের সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির পঠনপাঠন চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেই লক্ষ্যেই ধাপে ধাপে হাই স্কুলগুলি থেকে পঞ্চম শ্রেণি সরিয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যের একাধিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির পঠনপাঠন শুরু হয়ে গিয়েছে।

Advertisement

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজ্যে বর্তমানে ৪৯ হাজারের বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ বিদ্যালয়ে ইতিমধ্যেই পঞ্চম শ্রেণির পঠনপাঠন চালু হয়েছে। শিক্ষা দপ্তরের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে কোনও হাই স্কুলে পঞ্চম শ্রেণির অস্তিত্ব থাকবে না

এদিকে এবিপিটিএ (ABPTA)-র রাজ্য সাধারণ সম্পাদক ধ্রুবশেখর মণ্ডল রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে তাঁর বক্তব্য, শুধুমাত্র সিদ্ধান্ত নিলেই চলবে না—বিদ্যালয়গুলির উপযুক্ত পরিকাঠামো, এসিআর (Additional Classroom) নির্মাণ এবং পর্যাপ্ত শিক্ষক নিয়োগ অত্যন্ত জরুরি।

তিনি বলেন, “আমরা বহুদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছি যে, যত দ্রুত সম্ভব সমস্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণির পঠনপাঠন চালু করা হোক। কিন্তু পরিকাঠামো উন্নয়ন ও শিক্ষক নিয়োগ ছাড়া এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশি হবে। প্রাথমিক শিক্ষাকে অবহেলা না করে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ ও পরিকাঠামো উন্নয়ন নিশ্চিত করা দরকার।”

Advertisement

Dwip Narayan Chakraborty is a dedicated journalist, digital content creator, and web strategist at Bengal Xpress. With a strong background in web design, digital marketing, and news media, he crafts compelling regional and national stories that inform, engage, and inspire. Dwip brings a unique blend of technical expertise and editorial vision, ensuring Bengal Xpress remains at the forefront of digital journalism in West Bengal. When he's not writing or managing the site, he's exploring new tools to innovate online news delivery.

Continue Reading
Advertisement