আন্তর্জাতিক
রাষ্ট্রপুঞ্জে দাঁড়িয়ে ভারতের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তাব রাখলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী
রাষ্ট্রপুঞ্জে দাঁড়িয়ে ভারতের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ আলোচনার প্রস্তাব রাখলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তাঁর দাবি, যুদ্ধ নয়, কূটনীতি ও আলোচনা দিয়েই সমাধান সম্ভব।
রাষ্ট্রপুঞ্জে দাঁড়িয়ে ভারতের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ আলোচনার (Discussion) প্রস্তাব রাখলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ। তাঁর দাবি, পাকিস্তান যুদ্ধ নয়, বরং ‘শান্তিপূর্ণ, সর্বাঙ্গীন (Comprehensive) এবং ফলপ্রসূ (Productive)’ আলোচনায় বিশ্বাসী।
তবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতের ৭টি যুদ্ধবিমান (Fighter Jets) ধ্বংসের দাবিও করেন তিনি। সংঘর্ষবিরতি (Ceasefire) টিকিয়ে রাখার কৃতিত্ব দেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে।
প্রসঙ্গত, জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগামে জঙ্গি হামলার পর ভারত শুরু করেছিল পাল্টা অভিযান ‘অপারেশন সিঁদুর’ (Operation Sindoor)। সেই সময় পাক সেনার ৯টি জঙ্গিঘাঁটি ধ্বংস করে ভারতীয় সেনা। প্রতিক্রিয়ায় পাকিস্তানও পাল্টা হামলা চালায়। তবে ৯ অগস্ট ভারতীয় বায়ুসেনার প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল অমরপ্রীত সিং জানান, পাকিস্তানের ৫টি যুদ্ধবিমান এবং একটি বড় সামরিক পরিবহণ বিমানও ধ্বংস করেছে ভারত।
তবুও রাষ্ট্রপুঞ্জে দাঁড়িয়ে শেহবাজ শরিফ বলেন—
👉 “সমস্ত অমীমাংসিত ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে সর্বাঙ্গীন ও ফলপ্রসূ আলোচনার জন্য আমরা প্রস্তুত। বিশ্বের সামনে এটাই আমার প্রস্তাব।”
তিনি মনে করিয়ে দেন, ২০০৩ সালে পাকিস্তানি সেনাপ্রধান পারভেজ মুশারফের সময়ে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক (Bilateral) আলোচনা শুরু হয়েছিল। কিন্তু ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার পর তা থমকে যায়।
ট্রাম্পকে ‘শান্তির দূত’ (Messenger of Peace) বলে আখ্যা দিয়ে শরিফ আরও জানান—
👉 “অঞ্চলের শান্তি প্রতিষ্ঠায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবদান অনস্বীকার্য। তাঁকে নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেছি।”
কাশ্মীর প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন তিনি। সন্ত্রাসবাদ (Terrorism) নিয়ে তীব্র নিন্দা করে জানান— পাকিস্তান বহিরাগত সন্ত্রাসবাদের শিকার, বিশেষত বিদেশি উস্কানিতে। বিদ্বেষমূলক বক্তব্য বা কোনও ধর্ম-বিরোধী হিংসার কোনও স্থান নেই।
সম্প্রতি ওয়াশিংটনে ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেন শরিফ ও পাকিস্তানি সেনাপ্রধান আসিম মুনির। ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক ট্যারিফ (Tariff) ইস্যুতে টানাপোড়েনের মধ্যে থাকলেও, পাকিস্তানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়াচ্ছে আমেরিকা। ট্রাম্প তাঁদের ‘গ্রেট লিডার’ বলে প্রশংসা করেছেন।
