বাংলার খবর
মালদহের মোথাবাড়িতে নিখোঁজের ১২ ঘণ্টা পর উদ্ধার আড়াই বছরের শিশুর দেহ
মালদহের মোথাবাড়িতে ১২ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর একই জায়গা থেকে উদ্ধার আড়াই বছরের শিশুর দেহ। রাতের অন্ধকারে দেহ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ, আটক এক ব্যক্তি।
মালদহ (Malda): টানা প্রায় ১২ ঘণ্টার বেশি সময় নিখোঁজ থাকার পর উদ্ধার হল আড়াই বছরের এক শিশুর দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে মোথাবাড়ি (Mothabari) এলাকায়। পুলিশ ইতিমধ্যেই এক ব্যক্তিকে আটক (detained) করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মোথাবাড়ি থানা (Mothabari Police Station) এলাকার গঙ্গাপ্রসাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের (Gangaprasad Gram Panchayat) মোমিনপাড়া এলাকায় মঙ্গলবার বিকাল চারটার পর বাড়ির উঠোনের কাছ থেকেই নিখোঁজ হয়ে যায় ২ বছর ৮ মাস বয়সি তহসিন আক্তার। শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর গোটা গ্রাম জুড়ে তন্নতন্ন করে খোঁজ শুরু হয়।
মসজিদে (mosque) মাইকিং করে বারবার সন্ধানের ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে অভিযোগ জানানো হয় মোথাবাড়ি থানায় এবং গঙ্গাপ্রসাদ গ্রাম পঞ্চায়েতেও। নিখোঁজ শিশুর সন্ধানে সারারাত ধরে এলাকার একটি পুকুরে জাল ফেলে তল্লাশি (search operation) চালানো হয়। কিন্তু রাতভর কোনও সূত্র মেলেনি।
আরও পড়ুন – চলতি সপ্তাহেই সোনালির সঙ্গে দেখা করতে পারেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
অবাক করা বিষয়, বুধবার ভোর হতেই সেই পুকুরের ধারেই উদ্ধার হয় তহসিনের নিথর দেহ। যে জায়গায় দিনভর ও সারারাত তল্লাশি চলেছে, সেখান থেকেই দেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
তাঁদের অভিযোগ, এত মানুষ সেখানে ভিড় জমিয়েছিলেন, তবু কারও নজরে দেহ পড়েনি কীভাবে? স্থানীয়দের একাংশের দাবি, রাতের অন্ধকারে (darkness) কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে সেখানে দেহ ফেলে দিয়ে থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে। শিশুর দেহ ময়নাতদন্তের (post-mortem) জন্য পাঠানো হয়েছে। কী কারণে আড়াই বছরের শিশুর উপর এমন আক্রোশ, নাকি এর পিছনে কোনও পুরনো শত্রুতা (personal enmity) রয়েছে—সব দিক খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা (investigators)।
এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত রয়েছে কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুরো ঘটনায় শোকস্তব্ধ (grief-stricken) তহসিনের পরিবার। এলাকায় এখনও টহল (police patrolling) চালাচ্ছে পুলিশ।
