দুর্ঘটনা
মুকুন্দপুর ফ্লাইওভারে ভয়াবহ দুর্ঘটনা: নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দেওয়ালের ধাক্কায় প্রাণ গেল দুই বাইক আরোহীর
রবিবার রাতে দিল্লির মুকুন্দপুর ফ্লাইওভারে ঘটে এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা। দ্রুত গতির বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দেওয়ালে ধাক্কা মারলে মৃত্যু হয় দুই যুবকের। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
রবিবার রাতের নিস্তব্ধতা চিরে দিল্লির আউটার নর্থ (Outer North) জেলার মুকুন্দপুর ফ্লাইওভারে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা (Road Accident)। দ্রুত গতির বাইক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফ্লাইওভারের দেওয়ালে সজোরে ধাক্কা মারলে প্রাণ হারান দুই যুবক। ধাক্কার তীব্রতা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে, এক আরোহী ফ্লাইওভারের ওপর থেকে ছিটকে সোজা নিচের নর্দমায় গিয়ে পড়েন। অন্যজন রক্তাক্ত অবস্থায় ফ্লাইওভারের রাস্তার ওপরই লুটিয়ে পড়েন।
ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ এবং উদ্ধারকারী দল (Rescue Team)। তাঁরাই আশঙ্কাজনক অবস্থায় দুই আরোহীকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। তবে দুর্ভাগ্যবশত, কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত (Dead) ঘোষণা করেন।
তদন্তের প্রাথমিক পর্যায় ও শনাক্তকরণ
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে দুই যুবক মোটরসাইকেল নিয়ে বেরিয়েছিলেন। তবে সোমবার সকাল পর্যন্ত তাঁদের নাম-পরিচয় বা গন্তব্য সম্পর্কে সুনিশ্চিত হওয়া যায়নি। বর্তমানে পুলিশ দুই আরোহীর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের (Post-mortem) জন্য বাবু জগজীবন রাম হাসপাতালে পাঠিয়েছে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, বাইকের গতি অত্যন্ত বেশি (High Speed) থাকার কারণেই চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং সজোরে ফ্লাইওভারের দেওয়ালে ধাক্কা মারেন। তবে দুর্ঘটনার পেছনে যান্ত্রিক কোনো ত্রুটি বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
দিল্লির অন্য প্রান্তে আরও এক প্রাণহানি
মুকুন্দপুরের রেশ কাটতে না কাটতেই দিল্লির শালিমার বাগ এলাকা থেকে আরও একটি দুর্ঘটনার খবর পাওয়া গিয়েছে। সেখানে দ্রুত গতির একটি টেম্পো (Tempo) পিছন থেকে একটি মোটরসাইকেলে ধাক্কা মারে। এই ঘটনায় বিশাল (১৫) নামে এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সে হায়দারপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিল।
গুরুতর জখম অবস্থায় বিশালকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশ ইতিমধেই ঘাতক টেম্পোটিকে বাজেয়াপ্ত (Seized) করেছে এবং চালকের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। পর পর এই দুটি দুর্ঘটনা দিল্লির সড়কে গতি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তাকে আবারও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
