বিনোদন
তৃণমূলের প্রচারে যাওয়া নিয়ে চাপের কথা জানালেন শ্রাবন্তী; চাইলেন অভয়ার বিচার
“শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ থাকে!” তৃণমূলের হয়ে প্রচার থেকে রাজনীতিতে ফেরা— বিস্ফোরক শ্রাবন্তী। শুভেন্দুর শপথের দিনেই বেহালার হারের আফসোস আর নারী নিরাপত্তা নিয়ে সোচ্চার হলেন অভিনেত্রী।
কলকাতা: বঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদল (political change) হতেই দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ ও উপলব্ধি প্রকাশ করতে শুরু করেছেন টলিউডের তারকারা। শনিবার যখন শুভেন্দু অধিকারী নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিচ্ছেন, ঠিক সেই মুহূর্তেই নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ও টলিপাড়ার অন্দরমহলের সমীকরণ নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়।
রাজ্যে পরিবর্তনের খবর পেতেই শ্রাবন্তীর মনে পড়েছিল ‘অভয়া’র মায়ের মুখ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এবার হয়তো সেই পরিবার বিচার (justice) পাবে। পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে নায়িকার স্পষ্ট কথা, “জনতাই জনার্দন, বাংলার ভালোর জন্য পরিবর্তন আসতেই পারে।”
এই নির্বাচনে তৃণমূলের হয়ে প্রচার (campaign) করতে দেখা গিয়েছিল শ্রাবন্তীকে। সেই প্রসঙ্গে তিনি এক বিস্ফোরক দাবি করেন। তাঁর মতে, “একজন শিল্পী হিসেবেই প্রচারে গিয়েছিলাম। শিল্পীদের ওপর অনেক চাপ (pressure) থাকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আহ্বানে আমি ছাড়াও অনেকেই গিয়েছিলেন।” তবে তিনি কোনো দলেই যোগ দেননি বলে নিশ্চিত করেছেন।
২০২১-এর নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে বেহালা পশ্চিমে হারের আফসোস আজও তাজা শ্রাবন্তীর মনে। বিরোধী প্রার্থীর বাড়ি থেকে টাকা উদ্ধার ও দুর্নীতির (corruption) প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “মানুষ যদি সেদিন আমায় বিশ্বাস করতেন, তবে হয়তো ভালো কাজ করতে পারতাম।” তবে বর্তমানে ট্রোলিং ও কুৎসার আবহে তিনি মনে করেন, রাজনীতি তাঁর জায়গা নয়; তিনি অভিনেত্রী হিসেবেই ভালো আছেন।
আগামী দিনে নতুন সরকারের কাছে শ্রাবন্তীর দাবি— নারী নিরাপত্তা (women security) সুনিশ্চিত করা, যোগ্যদের চাকরি দেওয়া এবং বেহালার ট্রাফিক ও জলমগ্ন দশা থেকে মুক্তি। একইসঙ্গে ইন্ডাস্ট্রির বন্ধু রুদ্রনীল ঘোষকে শুভেচ্ছা জানিয়ে তিনি আবেদন করেন, টলিউডে যেন আর কোনো শিল্পীকে ‘ব্যান’ (banned) হতে না হয় এবং লবি বা গ্রুপিজমের ঊর্ধ্বে গিয়ে যেন যোগ্যেরা কাজ পান।
