মুখ্যমন্ত্রী পদে বসার পর প্রথমবার নন্দীগ্রামে জনসভা শুভেন্দুর, হলদিয়ায় করবেন মেগা প্রশাসনিক বৈঠক
নন্দীগ্রামের ঘরের ছেলে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে প্রথমবার ফিরছেন জনসভায়। এরপর হলদিয়ায় জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের নিয়ে বসবেন মেগা প্রশাসনিক বৈঠকে।
পূর্ব মেদিনীপুর: ফের জেলা প্রশাসনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) শুভেন্দু অধিকারী। রবিবার হলদিয়ায় এক প্রশাসনিক বৈঠকে (Administrative Meeting) যোগ দেবেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর জেলায় এটি তাঁর তৃতীয় প্রশাসনিক বৈঠক হতে চলেছে। জানা গিয়েছে, জেলাশাসক (District Magistrate), মহকুমা শাসক-সহ জেলা প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও পুলিশ সুপার (Superintendent of Police) এবং অন্যান্য আধিকারিকদের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবেন তিনি।
তবে এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের আগে তিনি পৌঁছাবেন নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র নন্দীগ্রামে। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর নন্দীগ্রামের মাটিতে এটিই হবে শুভেন্দু অধিকারীর প্রথম জনসভা (Public Meeting)।
নন্দীগ্রামে সংবর্ধনা সভার প্রস্তুতি: প্রশাসনিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, রবিবার বিকেল ৪টে নাগাদ শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামে পৌঁছাবেন। সেখানে তাঁর জন্য একটি বিশেষ সংবর্ধনা সভার (Felicitation Ceremony) আয়োজন করা হয়েছে। নন্দীগ্রাম সীতানন্দ কলেজ সংলগ্ন মাঠে এই সভা অনুষ্ঠিত হবে। ঐতিহাসিক এই মুহূর্তকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক প্রস্তুতি (Preparation) চলছে। ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থল পরিদর্শন করেছেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার পুলিশ সুপার অংশুমান সাহা এবং নন্দীগ্রামের আইসি শুভব্রত নাথ।
বিজেপি নেতা মেঘনাদ পাল বলেন, “নন্দীগ্রামের ঘরের ছেলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন, এটি আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। সীতানন্দ কলেজ সংলগ্ন মাঠে তাঁর বার্তা শোনার জন্য মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।”
হলদিয়ার প্রশাসনিক কর্মসূচি: নন্দীগ্রামের অনুষ্ঠান শেষ করে রবিবার বিকেল ৬টা নাগাদ হলদিয়ায় প্রশাসনিক বৈঠকে বসবেন মুখ্যমন্ত্রী। হলদিয়ার বিধায়ক প্রদীপ বিজলি জানিয়েছেন, মূলত হলদিয়া অঞ্চলের বিভিন্ন সমস্যা ও উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে এই আলোচনা হবে। বিশেষ করে স্থানীয় শ্রমিকদের (Labourers) স্বার্থ ও কলকারখানার বিভিন্ন বিষয়েও আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে গত শনিবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার নন্দীগ্রামে পা রেখেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি রোয়াপাড়ার নিজের কার্যালয়ে (Office) দলীয় বিধায়ক ও সাংগঠনিক নেতৃত্বের (Organizational Leadership) সঙ্গে বৈঠক করেন। পাশাপাশি জেলাশাসক নিরঞ্জনকুমার ও পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলে জেলার আটকে থাকা কাজগুলো দ্রুত শেষ করার কড়া নির্দেশ (Directive) দিয়েছেন তিনি।
What's Your Reaction?
Like
0
Dislike
0
Love
0
Funny
0
Wow
0
Sad
0
Angry
0
Comments (0)