বিমান অবতরণে সমস্যা হচ্ছে পাইলটদের, তাই নিভিয়ে দেওয়া হলো শ্রীভূমির বুর্জ খালিফার লেজার আলো

জন দেখেছেন : 18
0 0
পড়তে সময় লাগবে :3 মিনিট, 20 সেকেন্ড

বেঙ্গল এক্সপ্রেস নিউজ : এবারের দুর্গা পুজোয় গোটা শহর ভিআইপি রোড মুখী। মরুদেশের এর সব থেকে বড় ইমারত বুর্জ খালিফা দেখার সাধ্য না থাকলেও শহরবাসীর কাছে সেই সুযোগ এনে দিয়েছে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব। দুবাইয়ের সর্বোচ্চ ইমারতের শিরোপা পাওয়া বুর্জ খালিফার আদলেই তৈরি হয়েছে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের প্যান্ডেল। তার সঙ্গে জমকালো লেজার আলোয় আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে গোটা মণ্ডপটি। চতুর্থী থেকেই দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে এই মণ্ডপে।

কিন্তু জমকালো আলোর দেখা থেকে এবার বঞ্চিত হতে চলেছেন দর্শনার্থীরা। কলকাতা বিমানবন্দরের কাছে এই পুজো মণ্ডপটি অবস্থিত হওয়ায় লেজার আলোয় বিমান ওঠা-নামায় সমস্যা হচ্ছে বলে আপত্তি উঠতেই লেজার আলো নিভিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব কতৃপক্ষ। রাজ্যের দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের মন্ত্রী সুজিত বসুর পৌরহিত্যে এই পুজোয় ব্যবহৃত লেজার আলো নিয়ে বিধাননগর পুলিশে অভিযোগ দায়ের হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। বিমানবন্দর সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে কলকাতা বিমানবন্দরে বিমান অবতরণের সময় শ্রীভূমির পুজো প্যান্ডেলে ব্যবহার করা স্পট ও লেজার লাইটে পাইলটদের রানওয়ের ক্যাট আলো দেখতে অসুবিধা হয়।

এই নিয়ে তিনটে পৃথক বেসরকারি বিমান সংস্থার পাইলট এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলে অভিযোগ জানায়। এটিসি কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে ব্যাপারটা জানায়। এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, এর পর বিধাননগর পুলিশ মন্ত্রী সুজিত বসুকে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের পুজো মণ্ডপের স্পট লাইটগুলো বন্ধ রাখার অনুরোধ জানায়। তারপরই আলো নিভিয়ে দেয় ক্লাব কতৃপক্ষ। নিয়ম অনুযায়ী বিমানবন্দরের কাছাকাছি এলাকায় লেজার আলোর ব্যবহার, ফানুস, ঘুড়ি ওড়ানো নিষিদ্ধ। এতে বিমান চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে। শ্রীভূমির মণ্ডপ বিমানবন্দরের কাছাকাছি হওয়াতেই সমস্যা তৈরি হয়। তবে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লেজার আলো নিভিয়ে দেওয়া হলেও এই মণ্ডপের আকর্ষণ একটুও কমবে না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Next Post

এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে সোনাপাতার দেব বাড়িতে পুজো হচ্ছে ১৮ বাহু দুর্গা

Wed Oct 13 , 2021
বেঙ্গল এক্সপ্রেস নিউজ : দশ হাত বলেই দুর্গার অপর নাম দশভূজা বলেই আমরা সকলে জানি। কিন্তু ৯৯৫ সালে জয়পুরের আরজারগড়ের রাজা বীর বাঁকুড়া রায় কেশপুরের জয়পুরে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ১৮ বাহু বিশিষ্ট মা দুর্গার। তৎকালীন বর্গী আন্দোলনের সময় তিনি দেব পরিবারের হাতে সপে দিয়েছিলেন এই পুজো। […]