বগটুই হত্যাকাণ্ডে আনারুলের ১৪ দিনের পুলিশ হেপাজত
Connect with us

বাংলার খবর

বগটুই হত্যাকাণ্ডে আনারুলের ১৪ দিনের পুলিশ হেপাজত

Rate this post

বেঙ্গল এক্সপ্রেস নিউজ: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পরই বৃহস্পতিবার তারাপীঠ থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে আনারুল হোসেনকে। শুক্রবার তাঁকে রামপুরহাট মহাকুমা আদালতে তোলা হলে বীরভূম তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আনারুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘তিনি সম্পূর্ন নির্দোষ। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশেই তিনি আত্মসমর্পন করেছেন।”

এদিকে শুক্রবার তাঁকে রামপুরহাট আদালতে তোলা হলে তাঁকে ১৪ দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। তথ্য প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। অন্যদিকে, বগটুইকাণ্ডে এবার CBI তদন্তের নির্দেশ দিল Kolkata High Court। সিট আর তদন্ত করতে পারবে না। অভিযুক্তদের এবার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দিতে হবে। মর্মান্তিক এই হত্যালীলায় সত্য উদঘাটনের প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছে হাইকোর্ট।

এদিন কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা Adhir Chowdhury। জানা গিয়েছে আগামী ৭ এপ্রিলের মধ্যে আদালতে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেবে CBI। এছাড়াও CBI কে সহযোগিতা করতে হবে বলেও জানিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।

Advertisement

আরও পড়ুন: বগটুই হত্যাকাণ্ড: নন্দীগ্রাম-গুজরাতের প্রসঙ্গ টেনে CBI তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

শুধু তাই নয়, বগটুই হত্যাকাণ্ড নিয়ে বলতে গিয়ে শুক্রবার হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানান, রামপুরহাটে যা হয়েছে তা নৃশংস অপরাধ। বীরভূমের এই ঘটনার সঙ্গে তিনি ২০০৭ সালের নন্দীগ্রামে পুলিশের গুলি চালানোর ঘটনা এবং ২০০২ সালে গুজরাটের ঘটনার প্রসঙ্গও টেনে আনেন তিনি। এদিন মামলাকারী বলেন, ‘এই ঘটনাকে গুজরাটের ২০০২ সালের ঘটনার সাথে তুলনা করা যেতে পারে।’

আরও পড়ুন: বাংলায় রাষ্ট্রপতির শাসন জারি হোক, সংসদে কেঁদে ভাসালেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়

Advertisement

এদিকে, গত সোমবার বগটুইকাণ্ডে আটজনের জীবন্ত দ্বগ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয় হাইকোর্টে। এই ঘটনাটিকে বর্বোরচিত আখ্যা দিয়ে হত্যালীলার সঙ্গে যুক্ত প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা উচিত বলে জানিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি। অন্যদিকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরই তারাপীঠ থেকে গ্রেফতার তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আনারুল হোসেন। বগটুই হত্যাকান্ডে গ্রেফতার মূল অভিযুক্তকে এদিন তারাপীঠ থানায় রাখা হয়েছে। এদিকে তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতারের পরই তারাপীঠে চলল গুলি। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ঐ এলাকায়।