ওড়িশার কাছে হাফ ডজন গোল হজম! লাল-হলুদের রক্ষণ নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে
Connect with us

খেলা-ধূলা

ওড়িশার কাছে হাফ ডজন গোল হজম! লাল-হলুদের রক্ষণ নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে

Rate this post

বেঙ্গল এক্সপ্রেস নিউজ :  তিনের পর এবার হাফ ডজন! গত রবিবার এটিকে মোহনবাগানের কাছে হারার পর মঙ্গলবার ওড়িশার কাছেও হারল লাল-হলুদ বাহিনী। এটিকে মোহনবাগানের কাছে হজম করতে হয়েছিল তিন গোল। আর ওড়াশার বিরুদ্ধে হাফ ডজন গোল খেয়ে হারল এসসি ইস্টবেঙ্গল। আইএসএলে বিধ্বস্ত লাল-হলুদ শিবির।

গত মরশুমের শেষ ম্যাচেও ওড়িশার বিরুদ্ধে হাফ ডজন গোল হজম করতে হয়েছিল লাল-হলুদকে। লাল-হলুদ ডিফেন্সের যা অবস্থা তাতে এবারের আইএসএলে এসসি ইস্টবেঙ্গল কত গোল হজম করবে, তাই নিয়ে আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক চলতেই পারে। তিন ম্যাচের ইতিমধ্যেই ১০ গোল হজম করে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। তবে মঙ্গলবার ৬ গোল হজম করলেও ৪ গোল করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। এই নিয়ে এবারের আইএসএলে তিনটি ম‍্যাচ খেলে একটিতে ড্র ও দু’টিতে হেরে এই মুহূর্তে লিগ টেবিলের শেষে রয়েছে লাল-হলুদ ব্রিগেড। মঙ্গলবার ম‍্যাচে শুরুটা ভালোই করেছিল দিয়াজের ছেলেরা। সংগঠিত ফুটবল খেলেই ওড়িশার বক্সে আক্রমণের ঝড় তুলেছিলেন লাল-হলুদ ফুটবলাররা। ম‍্যাচের ১৩ মিনিটের মাথায় চমৎকার গোল করে ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দেন ড‍্যারেন সিডল। রাজুর লম্বা থ্রো-ইন ওডিশার ডিফেন্স ক্লিয়ার করলেও বক্সের মাথায় পেয়ে যান সিডেল।

সেখান থেকেই দুরন্ত শটে ১-০ করেন। কিন্তু ২৫ মিনিট পর খেলার ছন্দটাই হারিয়ে ফেলে ইস্টবেঙ্গল। তারপর থেকেই ওড়িশার আক্রমণে দিয়াজের ছেলেরা দিশাহারা। ৩৩ মিনিটে জাভি হার্নান্ডেজের ফ্রিকিক থেকে ১-১ করেন ওড়িশার স্টপার হেক্টর রামিরেজ। ৪০ মিনিটেও জাভির কর্নার থেকেই ২-১ করেন হেক্টর। ৪৪ মিনিটে কর্নার থেকে এবার জেভিয়ার হার্নান্ডেজ নিজেই একটি গোল করে ওড়িশাকে ৩-১ এগিয়ে দেন।দ্বিতীয়ার্ধেও বজায় ছিল ওড়িশার আক্রমণাত্মক ফুটবল। ৭১ মিনিটে ওড়িশার হয়ে গোল করেন সুয়ারেজ।

Advertisement

তিনিই ম‍্যাচের শেষ মুহূর্তে আরও একটি গোল করেন। তার আগে ৮১ মিনিটে গোল করেন আইসাক। তবে গোল খাওয়ার মাঝে ইস্টবেঙ্গলের হাওকিপ খেলার গতির বিপরীতে গিয়ে ৮০ মিনিটে একটি গোল করে ব্যবধান কমান। ম্যাচের শেষদিকে জোড়া গোল করে ফের ব্যবধান কমান চিমা। প্রথম দুই ম্যাচে তাঁর পারফরমেন্স নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছিল। অবশেষে গোল পেলেন চিমা। শেষ মুহূর্তে তাঁর জোড়া গোলেই কিছুটা ভদ্রস্থ অবস্থায় থেকে মাঠ ছাড়ল এসসি ইস্টবেঙ্গল। তবে তাতে ম্যাচের ফলাফল বদলায়নি। দিয়াজের দলের রক্ষণের যা অবস্থা, তাতে পরের ম্যাচ গুলো নিয়ে চরম দুশ্চিন্তা থেকেই গেল লাল হলুদ শিবিরে।